- Back to Home »
- International News »
- বান্ধবী যখন পুত্রবধূ!
Posted by : Md:Joy Chowdhury
Oct 1, 2014
পৃথিবীর সব দেশেই পুত্রবধূদের কাছে স্বামীর বাবা বা শ্বশুররা সম্মানিত ব্যক্তি। তাদের সম্পর্ক অনেকটা বাবা-মেয়ের মতোই হয়ে থাকে। কিন্তু চীনে শ্বশুর আর পুত্রবধূর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক প্রকাশ পেয়েছে। ফেসবুকের কল্যাণে এমন অসামাজিক ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। ফলে দীর্ঘদিনের ফেসবুক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ছেলের হাতে উত্তম মধ্যমের শিকার হয়েছেন বাবা ওয়াং।
৫৭ বছরের ওয়াংয়ের সঙ্গে অনলাইনে পরিচয় লিলির। সম্পর্কে তারা পুত্রবধূ আর শ্বশুর। কিন্তু ফেসবুকে দুজনেই নিজেদের পরিচয় গোপন রাখায় তাদের সম্পর্কটিও গোপন থাকে। এমনকি তারা দুজন দুজনকে যে ছবি পাঠান সেগুলোও ছিল অন্যের। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের জের ধরে তারা পরস্পরের সঙ্গে প্রথমবারের মতো দেখা করার সিদ্ধান্ত নেন। ওয়াং হেলংঝিয়াং প্রদেশের মুলিং শহরের এক হোটেলে রুম ভাড়া নেন বান্ধবী লিলির সঙ্গে দেখা করার জন্য।
এদিকে ওয়াংয়ের ছেলে এবং লিলির স্বামী ডা. জুন স্ত্রীর অনলাইন প্রেম সম্পর্কে জেনে যায়। স্ত্রীর ও তার প্রেমিককে হাতে নাতে ধরার জন্য সে লিলির পিছু নেয়। গন্তব্যে পৌঁছে তার তো চক্ষু চরক গাছ! লিলির বন্ধু যে আর কেউ নয়, স্বয়ং তার বাবা। রেগে গিয়ে জুন তার বাবা ও স্ত্রীকে পেটায়। এতে লিলির তিনটি দাঁত ভেঙে যায়।
দু’বছর আগের কথা। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ওয়াং ফেসবুকে তার সম্পর্কে লেখেন, ‘অন্যদের বুঝতে পারা ভালো।’ আর লিলি ফেসবুকে তার নিজের সম্পর্কে লিখেছিলেন, ‘নিসঃঙ্গ ফুল’। একদিন রাতে ফেসবুকে দু’জনার পরিচয় হয়। এরপর বন্ধুত্ব।
লিলি একজন গৃহবধূ। ছেলের দেখাশোনা ছাড়া সংসারে তার আর তেমন কাজ নেই। সময় কাটে ফেসবুকে চ্যাট করে। তার স্বামী ডা. জুন মালবাহী ট্রাক চালান। কাজের জন্য বেশির ভাগ সময় বাইরে বাইরেই থাকতে হয় তাকে।
বন্ধুত্বের এক পর্যায়ে দু’জনের মধ্যে ছবি আদান প্রদান করে ওয়াং আর লিলি। লিলি পাঠায় তার এক সুন্দরী বান্ধবীর ছবি। আর ওয়াং পাঠান তার এক বন্ধুর ছবি। ছবি দেখে দু’জন তো মহাখুশি। শুধু ছবি নয়। নিজেদের পরিচয় পর্যন্ত তারা গোপন রাখে।
ওয়াং নিজেকে একটি কোম্পানির পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করে জানান, দুই বছর আগে তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি একাই দিন কাটাচ্ছেন।
আর লিলি ওয়াংকে জানান, তার স্বামী পাঁচ বছর ধরে জেল খাটছে। আর সে তার একমাত্র ছেলেকে নিয়ে নিঃসঙ্গ দিন গুজরান করছে।
সব মিলিয়ে দু’জনকে দু’জনার মনে ধরে। তারা এবার মিলিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সন্ধ্যা ৬টায় তাদের সাক্ষাতের সময় নির্ধারিত হয়।
কিন্তু যেদিন তাদের দেখা করার কথা সেদিনই হঠাৎ দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফেরে লিলির স্বামী জুন। সে ফেসবুক ঘেঁটে স্ত্রীর গোপন প্রণয় এবং তার ডেটিং সম্পর্কে জেনে যায়। তখন সে স্ত্রীকে হাতে নাতে পাকড়াও করতে মনে মনে ফন্দি আঁটে। সে ফোন করে বৌকে জানায়, তাকে এক্ষুণি আবার কাজে বেরুতে হবে।
লিলি তখন ছেলেকে তারা মায়ের বাসায় রেখে নিশ্চিন্ত মনে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে বের হন। কিন্তু বান্ধবীকে অভ্যর্থণা জানাতে ওয়াং যখন হোটেল রুমের দরজা খুলেন তখন বিস্ময়ে হতবাক লিলি। তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে তারই সম্মানিত শ্বশুরবাবা।
‘কিছু একটা ভুল হচ্ছে’ বলে দ্রুত সেখান থেকে কেটে পড়ে লিলি। কিন্তু যাবে আর কোথায়! তার গোয়েন্দা স্বামী যে তার পেছনেই ছিল! স্ত্রী আর বাবাকে একসঙ্গে দেখে তার মাথায় আগুন ধরে যায়। সে দু’জনকেই আচ্ছামতো পেটায়। এ পরস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশ ডাকেন। তিনজনকেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তবে জিজ্ঞাসাবাদের পর শ্বশুর আর পুত্রবধূকে ছেড়ে দিলেও সম্মানিত বাবার গায়ে হাত তোলায় পাঁচ দিন কারাগারে থাকতে হচ্ছে জুনকে।
পুলিশের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে জুন বলেন, ‘সংসারের অভাব মেটাতে গিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে আমি যখন আধমরা হয়ে যাচ্ছি তখন এরা দুইজন ফূর্তি করে বেড়াচ্ছে।
৫৭ বছরের ওয়াংয়ের সঙ্গে অনলাইনে পরিচয় লিলির। সম্পর্কে তারা পুত্রবধূ আর শ্বশুর। কিন্তু ফেসবুকে দুজনেই নিজেদের পরিচয় গোপন রাখায় তাদের সম্পর্কটিও গোপন থাকে। এমনকি তারা দুজন দুজনকে যে ছবি পাঠান সেগুলোও ছিল অন্যের। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের জের ধরে তারা পরস্পরের সঙ্গে প্রথমবারের মতো দেখা করার সিদ্ধান্ত নেন। ওয়াং হেলংঝিয়াং প্রদেশের মুলিং শহরের এক হোটেলে রুম ভাড়া নেন বান্ধবী লিলির সঙ্গে দেখা করার জন্য।
এদিকে ওয়াংয়ের ছেলে এবং লিলির স্বামী ডা. জুন স্ত্রীর অনলাইন প্রেম সম্পর্কে জেনে যায়। স্ত্রীর ও তার প্রেমিককে হাতে নাতে ধরার জন্য সে লিলির পিছু নেয়। গন্তব্যে পৌঁছে তার তো চক্ষু চরক গাছ! লিলির বন্ধু যে আর কেউ নয়, স্বয়ং তার বাবা। রেগে গিয়ে জুন তার বাবা ও স্ত্রীকে পেটায়। এতে লিলির তিনটি দাঁত ভেঙে যায়।
দু’বছর আগের কথা। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ওয়াং ফেসবুকে তার সম্পর্কে লেখেন, ‘অন্যদের বুঝতে পারা ভালো।’ আর লিলি ফেসবুকে তার নিজের সম্পর্কে লিখেছিলেন, ‘নিসঃঙ্গ ফুল’। একদিন রাতে ফেসবুকে দু’জনার পরিচয় হয়। এরপর বন্ধুত্ব।
লিলি একজন গৃহবধূ। ছেলের দেখাশোনা ছাড়া সংসারে তার আর তেমন কাজ নেই। সময় কাটে ফেসবুকে চ্যাট করে। তার স্বামী ডা. জুন মালবাহী ট্রাক চালান। কাজের জন্য বেশির ভাগ সময় বাইরে বাইরেই থাকতে হয় তাকে।
বন্ধুত্বের এক পর্যায়ে দু’জনের মধ্যে ছবি আদান প্রদান করে ওয়াং আর লিলি। লিলি পাঠায় তার এক সুন্দরী বান্ধবীর ছবি। আর ওয়াং পাঠান তার এক বন্ধুর ছবি। ছবি দেখে দু’জন তো মহাখুশি। শুধু ছবি নয়। নিজেদের পরিচয় পর্যন্ত তারা গোপন রাখে।
ওয়াং নিজেকে একটি কোম্পানির পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করে জানান, দুই বছর আগে তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি একাই দিন কাটাচ্ছেন।
আর লিলি ওয়াংকে জানান, তার স্বামী পাঁচ বছর ধরে জেল খাটছে। আর সে তার একমাত্র ছেলেকে নিয়ে নিঃসঙ্গ দিন গুজরান করছে।
সব মিলিয়ে দু’জনকে দু’জনার মনে ধরে। তারা এবার মিলিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সন্ধ্যা ৬টায় তাদের সাক্ষাতের সময় নির্ধারিত হয়।
কিন্তু যেদিন তাদের দেখা করার কথা সেদিনই হঠাৎ দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফেরে লিলির স্বামী জুন। সে ফেসবুক ঘেঁটে স্ত্রীর গোপন প্রণয় এবং তার ডেটিং সম্পর্কে জেনে যায়। তখন সে স্ত্রীকে হাতে নাতে পাকড়াও করতে মনে মনে ফন্দি আঁটে। সে ফোন করে বৌকে জানায়, তাকে এক্ষুণি আবার কাজে বেরুতে হবে।
লিলি তখন ছেলেকে তারা মায়ের বাসায় রেখে নিশ্চিন্ত মনে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে বের হন। কিন্তু বান্ধবীকে অভ্যর্থণা জানাতে ওয়াং যখন হোটেল রুমের দরজা খুলেন তখন বিস্ময়ে হতবাক লিলি। তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে তারই সম্মানিত শ্বশুরবাবা।
‘কিছু একটা ভুল হচ্ছে’ বলে দ্রুত সেখান থেকে কেটে পড়ে লিলি। কিন্তু যাবে আর কোথায়! তার গোয়েন্দা স্বামী যে তার পেছনেই ছিল! স্ত্রী আর বাবাকে একসঙ্গে দেখে তার মাথায় আগুন ধরে যায়। সে দু’জনকেই আচ্ছামতো পেটায়। এ পরস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশ ডাকেন। তিনজনকেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তবে জিজ্ঞাসাবাদের পর শ্বশুর আর পুত্রবধূকে ছেড়ে দিলেও সম্মানিত বাবার গায়ে হাত তোলায় পাঁচ দিন কারাগারে থাকতে হচ্ছে জুনকে।
পুলিশের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে জুন বলেন, ‘সংসারের অভাব মেটাতে গিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে আমি যখন আধমরা হয়ে যাচ্ছি তখন এরা দুইজন ফূর্তি করে বেড়াচ্ছে।
